পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলন নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলন নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সরকার থেকে শুরু করে সব বিশ্ববিদ্যালয়ই মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে পাবনা বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েও (পাবিপ্রবি) আছে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি। এই কর্মসূচিগুলোর মধ্যে একটি হলোজুলাইয়ের দিনলিপিশীর্ষক মাসব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনী। এই আলোকচিত্র প্রদর্শনী এরই মধ্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। প্রতিদিন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা এই প্রদর্শনী দেখতে ভিড় করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় আয়োজনটি করেছে পাবনা বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব।

 

সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারাদেশে জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি স্মরণ করে রাখার জন্য জাতীয় পর্যায়ে অনেক কাজ হচ্ছে। কিন্তু আঞ্চলিক আন্দোলনগুলো নিয়ে তেমন কাজ হচ্ছে না। পাবনা বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব আঞ্চলিক আন্দোলনগুলোর স্মৃতিগুলো সংগ্রহ এবং সেগুলো কীভাবে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া যায় সেই চিন্তা করেছে। আর সেই চিন্তা থেকে আয়োজন করেছেজুলাইয়ের দিনলিপিশীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী। এই প্রদর্শনীতে জুলাইয়ে পাবনা জেলার আন্দোলনের ছবিগুলো স্থান দেওয়া হয়েছে। জুলাই পাবনা বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই পাবনার আন্দোলনের সূচনা হয়। এরপর আগস্ট পর্যন্ত পাবনা জেলার আন্দোলনের সঙ্গে পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত ছিলেন। প্রতিদিন সকালে ওই দিনের ছবিগুলো প্রদর্শনীস্থলে লাগানো হয়। প্রতিদিন সকালে শিক্ষার্থীরা যখন ক্যাম্পাসে আসেন ওই দিনের ছবিগুলো তারা দেখতে পান। একই সঙ্গে আগের দিনের ছবিগুলোও প্রদর্শনীস্থলে রেখে দেওয়া হয়। এতে করে আগের দিনের ছবিগুলোও দেখা যায়।

 

মাসব্যাপী এই আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এলিভেটেডের নিচে। সকাল থেকেই প্রতিদিনের আন্দোলনের ছবিগুলো দেখতে প্রদর্শনীস্থলে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। আন্দোলনে তারা তাদের ছবি খুঁজছেন, ছবি খুঁজছেন তাদের সহপাঠীদের। প্রদর্শনী দেখতে আসা ইংরেজি বিভাগের ছাত্র মজনু আলম বলেন, ‘আমরা জুলাই থেকে এই ক্যাম্পাসে আন্দোলন করেছি। পরিস্থিতিগত কারণে ওই সময়ের কোনো ছবি ফোনে রাখা যেত না। সে কারণে জুলাই আন্দোলনের তেমন কোনো স্মৃতি আমার কাছে নেই। আজকে এই ছবিগুলো দেখে আমার মনে হচ্ছে- আমি উত্তাল সেই জুলাইয়ে ফিরে গেছি।

 

 

(দৈনিক আমাদের সময় থেকে সংগৃহীত)